Breaking News
Home / অপরাধ / করোনা: মৌলভীবাজারে অর্থদন্ড ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, কারাদন্ড ৬ জনের

করোনা: মৌলভীবাজারে অর্থদন্ড ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, কারাদন্ড ৬ জনের

রাফি আহমেদ রিপন, কমলগঞ্জ ।।
মৌলভীবাজারে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণ রোধে গত তিন মাসে ১ হাজার ৬৬৩টি মামলা দিয়েছে প্রশাসন। যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জেলায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার সাতটি উপজেলায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটেটর মাধ্যমে প্রতিদিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত মার্চ মাসে মৌলভীবাজার জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে ৮৫ টি। মামলার সংখ্যা ছিল ২৩৬ টি এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে মোট ১৭ লক্ষ ৭ হাজার ৮৫০ টাকা। আর এপ্রিল মাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় মোট ১৫৯ টি। মোট মামলার সংখ্যা ছিল ৯২৪ টি এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে মোট ১১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৬০ টাকা। কারাদন্ড দেযা হয়েছে ০১ জনকে। মে মাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে সর্বমোট ৯৮ টি। মোট মামলার সংখ্যা ছিল ৫০৩ টি এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে মোট ৪ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬০০ টাকা। কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে ০৫ জনকে।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার এর উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ, সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারণা এবং মাইকিং এর মাধ্যমে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন এর আদেশ অনুসারে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ জেলার পর্যটন সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সকল প্রকার গণজমায়েত বন্ধ রয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজন ব্যাতীত রাস্তাঘাট ও হাট-বাজারে চলাচল ও কেনাকাটার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় অধিকতর সচেতনতা অবলম্বন করতে গত ১৩ এপ্রিল জেলা প্রশাসন এ জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ এবং প্রস্থানের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

প্রশাসক নাজিয়া শিরিন জানান, মৌলভীবাজার জেলার অনেক মানুষ প্রবাসে থাকায় বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এই জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি বেশি ছিল। তবে জেলা প্রশাসনের সময়োপোযোগী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যাবলী, সকল দপ্তরের আন্তরিক সহযোগিতা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকগণ ও সর্বস্তরের মানুষের প্রচেষ্টা এবং সর্বোপরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এ জেলার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

করোনা: মৌলভীবাজারে অর্থদন্ড ৩৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, কারাদন্ড ৬ জনের
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :
মৌলভীবাজারে করোনা ভাইরাসের ভয়াবহ সংক্রমণ রোধে গত তিন মাসে ১ হাজার ৬৬৩টি মামলা দিয়েছে প্রশাসন। যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জেলায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার সাতটি উপজেলায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটেটর মাধ্যমে প্রতিদিন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত মার্চ মাসে মৌলভীবাজার জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে ৮৫ টি। মামলার সংখ্যা ছিল ২৩৬ টি এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে মোট ১৭ লক্ষ ৭ হাজার ৮৫০ টাকা। আর এপ্রিল মাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয় মোট ১৫৯ টি। মোট মামলার সংখ্যা ছিল ৯২৪ টি এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে মোট ১১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৬০ টাকা। কারাদন্ড দেযা হয়েছে ০১ জনকে। মে মাসে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়েছে সর্বমোট ৯৮ টি। মোট মামলার সংখ্যা ছিল ৫০৩ টি এবং অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে মোট ৪ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬০০ টাকা। কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে ০৫ জনকে।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের পর থেকেই জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার এর উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ, সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারণা এবং মাইকিং এর মাধ্যমে জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন এর আদেশ অনুসারে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ জেলার পর্যটন সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সকল প্রকার গণজমায়েত বন্ধ রয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজন ব্যাতীত রাস্তাঘাট ও হাট-বাজারে চলাচল ও কেনাকাটার উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় অধিকতর সচেতনতা অবলম্বন করতে গত ১৩ এপ্রিল জেলা প্রশাসন এ জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ এবং প্রস্থানের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

প্রশাসক নাজিয়া শিরিন জানান, মৌলভীবাজার জেলার অনেক মানুষ প্রবাসে থাকায় বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় এই জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি বেশি ছিল। তবে জেলা প্রশাসনের সময়োপোযোগী বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কার্যাবলী, সকল দপ্তরের আন্তরিক সহযোগিতা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকগণ ও সর্বস্তরের মানুষের প্রচেষ্টা এবং সর্বোপরি মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এ জেলার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Check Also

কুলাউড়ায় কিশোরী গণধর্ষণের ঘটনায় ৩ জন আটক-কমলগঞ্জ বার্তা

কুলাউড়া প্রতিনিধি ॥ কুলাউড়া উপজেলায় বেড়াতে আসা এক কিশোরী (১৭) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানা ...