Breaking News
Home / আলোচিত খবর / কোভিড-১৯ : মৌলভীবাজার জেলার কিছু অংশ রেড জোন, অধিকাংশ ইয়েলো ও গ্রিন জোনে-কমলগঞ্জ বার্তা

কোভিড-১৯ : মৌলভীবাজার জেলার কিছু অংশ রেড জোন, অধিকাংশ ইয়েলো ও গ্রিন জোনে-কমলগঞ্জ বার্তা

স্টাফ রিপোর্টার॥ করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ঠেকাতে সারা দেশের ন্যায় মৌলভীবাজারকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ হচ্ছে দেশ। সংক্রমণের হার বিবেচনায় বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করা হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত অঞ্চলকে রেড জোন আখ্যা দেওয়া হচ্ছে। উদবগে, উৎকন্ঠার

এ অবস্থায় পর্যটন ও প্রবাসী জেলা মৌলভীবাজার কোন জোনে পড়েছে-এ নিয়ে সাধারণ মানুষ উদবেগ ও উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছেন।
মৌলভীবাজারের সংক্রমণ হার বিবেচেনা করে দেখা গেছে অধিকাংশ এলাকাই পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিনজোনে। কিছু অংশ পড়েছে রেড জোনে।
রেড জোনে মৌলভীবাজারের যেসব এলাকা হচ্ছে :
জানা গেছে- শ্রীমঙ্গল পৌরসভা এবং সদর ইউনিয়নের কিছু অংশ রেড জোনে পড়েছে। এছাড়া কুলাউড়া পৌরসভা এবং পৌর শহর সংলগ্ন কিছু এলাকা রেড জোনে পড়েছে।
জানা গেছে- শ্রীমঙ্গলের কালিঘাট রোড, মিশন রোড, রুপসপুর, সবুজভাগ, মুসলিমবাগ, লালবাগ এবং বিরাইমপুর, কুলাউড়ার মাগুরা-মনসুর, নন্দনগর রেড জোনে পড়েছে।
জেলার বাকি সব এলাকা ইয়েলো এবং গ্রিনজোনে পড়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিভিল সার্জন ডা. তওহীদ আহমদ বলেন- সংক্রমেণর হার বিশ্লেষণ করে মৌলভীবাজারের প্রত্যেক উপজেলা ও ইউনিয়নের রেড, গ্রিন ও ইয়েলো জোনে ভাগ করা হয়েছে। সোমবার ১৫ জুন মন্ত্রণালয়ে সেটা প্রেরণ করা হয়েছে। এটি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা হবে।
কিভাবে জোন ভাগ হয় :
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনো এলাকায় ১ লাখের মধ্যে ১০ জন করোনা আক্রান্ত হলে রেড জোন। ৩ থেকে ৯.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে ইয়েলো জোন। আর ০ থেকে ২.৯ শতাংশ আক্রান্ত হলে গ্রিন জোন।
জানা যায়, রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় পুরো লকডাউন করে দেওয়া হবে। এ জোনের কেউ বাইরে যেতে বা বাইরে থেকে কেউ এ জোনের ভেতরে যেতে পারবে না। এ জোনের দোকানপাট, বিপণিবিতান, সরকারি-বেসরকারি কার্যালয় সব বন্ধ থাকবে। এমনকি এ জোনে ঘরে বসে নামাজ আদায় করতে নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
এ ব্যাপারে মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ বলেন-সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা জোন ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
মৌলভীবাজার জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯১ জন, সুস্থ হয়েছে ৬৯ জন, মারা গেছেন ৫ জন। করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২৩ জন। তবে ৬ শতাধিক রিপোর্ট অপেক্ষমান আছে।
সিভিল সার্জন আরো বলেন, অন্য জেলার তুলনায় মৌলভীবাজারে আক্রান্তের হার এখনও কম। যে কারণে জেলার অধিকাংশ এলাকা পড়েছে ইয়েলো ও গ্রিন জোনে। করোন সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। এর বিকল্প নাই। আগামী ২ মাস আমাদের জন্য বিপদ হতে পারে। সাবধনতাই পারে এ বিপদ থেকে রক্ষা পেতে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Check Also

কমলগঞ্জে ‘আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও মানবাধিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভা-কমলগঞ্জ বার্তা

কমলগঞ্জ বার্তা রিপোর্ট ॥ কমলগঞ্জে দলিত ও চা জনগোষ্ঠীর জীবন চিত্র “আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও ...