Home / ধর্ম / জমজমের পানির রহস্য আবিষ্কার জাপানি বিজ্ঞানীর!

জমজমের পানির রহস্য আবিষ্কার জাপানি বিজ্ঞানীর!

কমলগঞ্জ বার্তা ডেস্ক, রিপোর্টঃ বিজ্ঞানের সূচনালগ্নের অনেক পরে জমজমের পানি সম্পর্কে নতুন রহস্য প্রকাশ করেছে এবং এটা কিভাবে গৌরবময় কোরআনের আয়াত দ্বারা প্রভাবিত হয়। আপনি আশ্চর্য হবেন! আমরা সাম্প্রতিককালে মাদুলীর বা তাবিজের ব্যবহারের মূল্য বুঝতে সমর্থ হয়েছি। এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, পানযোগ্য পানির উপরে যা পাঠ করা হয় তা দ্বারা কিভাবে প্রভাবিত হয়। জাপানের বিজ্ঞানী মাশারো ইমোটোর একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন যে, তিনি একটি বইতে পড়েছেন যে, আকাশ থেকে পড়া তুষার কনা হচ্ছে অনন্য। তিনি বলেছেন যে, তার বৈজ্ঞানিক অনুভূতি তাকে বলেছিল যে, এটা সত্য হতে পারে না। তুষার কনার জ্যামেতিক আকার এর রাসায়নিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত হয়। ওই বিজ্ঞানী বলেছিলেন যে, পানির গঠন সুপরিচিত। দুইটি হাইড্রোজেন পরমাণু ও একটি অক্সিজেন পরমাণু দ্বারা এটা গঠিত হয়। তাই আকাশ থেকে পড়া তুষার কনাগুলো একে অন্যের থেকে আলাদা কিভাবে হতে পারে? তিনি বলেছেন, আমি দৃঢ় মানসিকতাবদ্ধ ছিলাম যে, এই তত্ত্বকে কিভাবে ভুল প্রমাণিত করব।
তিনি একটি গবেষণাগার তৈরি করেছিলেন যাতে একটি রেগুলেটরসহ একটি ডিপ ফ্রিজার ছিল। যেহেতু কোনো তরল পদার্থ যদি হঠাৎ করে জমাটবদ্ধ করা হয় তাহলে একটি জ্যামেতিক আকার গ্রহণ করতে পারে না। জমাট বাধা অবশ্যই ধীরে হতে হবে যাতে করে পরমাণুগুলো বিধাতা দ্বারা নির্ধারিত আকারে স্ফটিকায়ন হবার সুযোগ লাভ করে। একটি রেগুলেটরসহ একটি ডিপ ফ্রিজার ছিল। মাইনাস (-৭ ) ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় একটি ঠাণ্ডা কক্ষ এবং ক্যামেরা দ্বারা সুসজ্জিত কতগুলো অনুবীক্ষণ যন্ত্র ছিল যাতে করে তুষার কনা গলে যাওয়ার আগে এগুলোর আলোকচিত্র গ্রহণ করা যায়।
বিজ্ঞানীরা এই কক্ষে গরম কাপড় পরে কাজ করা শুরু করে। তিনি বলেছিলেন, আমি গবেষণাগারে দুইটি নলের থেকে নমুনা নিয়েছিলাম, আমি এদেরকে জমাট করি এবং প্রতিটি নমুনা আমাকে একটি আলাদা তুষার কনা দিয়েছিল। নমুনাগুলো দুইটি আলাদা কূপের থেকে, দুইটি আলাদা নদীর থেকে এবং দুইটি আলাদা হ্রদের থেকে গ্রহণ করেছিলাম। আমি পাগল হয়ে গেছিলাম এবং ভেবেছিলাম এটি একটি যাদুমন্ত্র।টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত একজন সৌদি ছাত্রের সাথে তার হঠাৎ করে দেখা হয় এবং তাকে জিজ্ঞাসা করে কি ভুল হয়েছে। মাশারো তাকে তার সমস্যা সম্পর্কে বলে। ছাত্রটি তাকে বলে যে, আমাদের আশীর্বাদপুষ্ট পানি আছে যাকে জমজমের পানি বলে। আমি আপনাকে এই পানির একটি নমুনা দেব যাতে করে আপনি এর ওপর পরীক্ষা চালাতে পারেন। জমজমের পানি যাদুমন্ত্র বা জীন দ্বারা প্রভাবিত হয় না, তাই এটা ব্যবহার করা হলে এটা সমগ্র তত্ত্ব প্রমাণ বা মিথ্যা সাব্যস্ত করবে। ইমোটো জমজমের পানির একটি নমুনা নিলেন এবং বললেন, আমি এটাকে স্ফটিকায়ন করতে পারি নি, এমনকি পর্যন্ত পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করার পরেও। অন্য কথায় তিনি ১ ঘন সেন্টিমিটিারকে ১ লিটারে রূপান্তর করেন। তিনি বলেন যে, তিনি যখন পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করেন এবং জমাটবদ্ধ করেন তিনি তখন একটি অনবদ্য আকারের স্ফটিক লাভ করেন। দুইটি স্ফটিক গঠিক হয় একটি অপরটির উপরে কিন্তু এগুলো একটি অনন্য আকার গ্রহণ করে।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Check Also

কমলগঞ্জে ইসকন নামহট্ট মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর :: আহত -৬

মোঃ মালিক  মিয়া /  রাজু  দত্ত ::  আলীনগর থেকে ঘুরে এসে :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ...