Breaking News
Home / মৌলভীবাজার / মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভাবমুর্তি নষ্ট করছেন সাধারন সম্পাদক মিছবাউর রহমান

মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভাবমুর্তি নষ্ট করছেন সাধারন সম্পাদক মিছবাউর রহমান

কমলগঞ্জ বার্তা ডেস্ক, রিপোর্টঃ

মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থা হচ্ছে জেলার ক্রীড়া উন্নয়ন ও খেলা ধুলাকে বিকশিত করার অন্যতম সংগঠন। এ সংস্থাকে নিয়ন্ত্রন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। আর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা। বাস্তবে সে সকল উপজেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলো বার বার অপমানিত করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিতর্কিত একরুগা মানুষ তার কাছে কোন ধরনের সংগঠন মুলক আচরন নেই তিনি হলেন সম্পাদক মোঃ মিসবাহুউর রহমান। সব সময় জেলা টিমের খেলায় প্রতিপক্ষকে জয়ী করতে ভুমিকা রাখেন রেফারির মাধ্যমে অতীতে বিভিন্ন উপজেলা টিমের সাথে অশুভ আচরন করেছেন আজ বুধবার কমলগঞ্জ উপজেলার সাথে একই আচরন করে পৌরসভাকে জয়ী করালেন। বাহ চমৎকার নাটক মিসবার। বিতর্কিত করলেন জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপকে। আমরা কমলগঞ্চবাসী একদিন মিসবার এমন আচনের জবাব দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। জেলার ৭টি উপজেলার সম্মানীত ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের বলতে চাই জেলায় আর কোন ভাল মানুষ নেই না কি যে বার বার ওই অসংগঠক বদমেজাজি গোটা জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে বিতর্কিত করছেন সেই মিসবাহুর রহমানকে আপনার দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় রাখছেন। আরে মিসবাহুর রহমান আপনি সবচেয়ে দুনীর্তিবাজ।লাখ লাখ টাকা নষ্ট করছেন
।নিজের ছেলের খেলা হলে রেফারি দিয়ে ছেলের দলকে জিতিয়ে আনেন। আপনার আবার বাহদুরী।
মিসবাহুর রহমান যতদিন জেলায় থাকবে কোন উপজেলা জয়ী হতে পারবেন না। কাল বড়লেখার পরিনতি হবে আমাদের মতো। সাবধান। আজ আমাদের পরিকল্পিত রেফারিং মুসা কে দিয়ে হারিয়ে দিল ক্রীড়া সংস্থা। আমরা ৩ লাখ কমলগঞ্জবাসী মিসবাউর রহমানের বিচার চাই। কেন পুলিশ দিয়ে অপমানিত করলেন জেলা প্রশাসক, নেসার আহমেদসহ ডিএসএ বিভিন্ন কমর্কর্তার সামনে। জেলা প্রশাসক মোঃ তোফায়েল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষন করে বিস্তারিত বলতে হচ্ছে।
কমলগঞ্জ বনাম মৌলভীবাজার পৌরসভা মধ্যকার ৮০ মিনিটের শেষ মুহুত। রেফারি মুসা সাহেব এর বিবেক হারানো সিদ্ধান্তের পরও কমলগঞ্জ শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে এগিয়ে ছিলো। মিনিট দুয়েক আগে পরিস্কার অফ সাইট। সহকারী পরিচালক মৌলভীবাজারের মাহমুদ সাহেব এর জান্ডা। গোল হবার পর নেমে যায় সেই জান্ডা। প্রতিবাদ করলে সেই মাহমুদ নিজে কমলগঞ্জ দলের দুজন খেলোয়ারকে মারতে উদ্ধত্ত হন। মিছবাহুর রহমান জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পাশ্ইে ছিলেন। তিনিও নিরব। কারও বাঁকা চোখ সেই দৃশ্য না দেখলেও উপস্থিত দর্শক তা দেখেছেন। আশা করি আযোজকদের কারও না কারও চোঁখেও সেই দৃশ্য পড়েছে। আয়োজক কমিটি উত্তর চাই? পরিচালক কি খেলোয়ারকে মারতে পারে? আয়োজক কমিটি কি মাহমুদ এর বিচার করবেন? নাকি তাকে ফাইনাল খেলায় মেইন রেফারির দায়িত্ব দিয়ে পুরস্কৃত করা হবে? কমলগঞ্জ বা অন্যউপজেলা দায়িত্বশীলরা মিছবাহুর রহমান বা আয়োজকদের সম্মান করে মাঠে টিম পাঠায়। কিন্তু কোন টিমকে নূন্যতম সম্মান বা স্নেহ দিতে পারেননি মিছবাহুর রহমান। খেলায় অফসাইড না ধরায় কমলগঞ্জ টিম খেলা হতে নেমে যায়। প্রায় ১০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। রেফারির কমর্কান্ডকে তীব্র প্রতিবাদ জানান উপস্থিত কমলগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার লোকজন। জবাব চান মিসবাহুর রহমানের কাছে।এ সময় কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, কমলগঞ্জ পৌর মেয়র জুয়েল আহমেদ, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য কমলগঞ্জ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. হেলাল উদ্দিন, কমলগঞ্জ পৌর কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন, মাধবপুর ইউপি সদস্য মোতাহের হোসেন। হঠাৎ করে উপস্থিত ৫ জন জনপ্রতিনিধি’র সামনে পুলিশকে সাথে নিয়ে মৌলভীবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মিছবাহুর রহমান কমলগঞ্জ ফুটবল দলের বসার স্টেন্ড ঘর থেকে টিমের সাথে অবস্থান করা ৫-৬ জনকে বের করতে ১৫জন পুলিশ ডেকে এনে বের করে দিলেন। কি ভাবে এত সাহস পাইলেন যে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে বিতর্কিত করলেন। ওইখানে কোন ঝমেলা হয়নি। তাহলে পুলিশ ডেকে এনে তিনি কি বুঝালেন?।আপনি রাজনৈতিক নেতা। কিন্তু আপনার চেয়ে বড়বড় রাজনৈেতিক নেতারা সেখানে ছিলেন। আপনি কমলগঞ্জের গবির্ত জনপ্রতিনিধিরকে বলেলই মাঠ হতে ছেলেরা চলে যেত। কমলগঞ্জের মানুষ তার মুরব্বীদের শ্রদ্ধা করতে জানে। আমাদের মুরব্বীদের পুলিশ লাগে না। ওই ৫ জন জনপ্রতিনিধির সামনে আপনি সরাসরি বললেই বেরিয়ে যেতেন সবাই। কিন্তু আপনি ক্ষমতার অপব্যবহার করলেন?। দেখিয়ে দিলেন আপনি কত খারাপ।
আমরা কমলগঞ্ববী উশৃঙ্খলতা করার জন্য মাঠে যাইনি। তারপরও আপনি পুলিশ দিয়ে যেভাবে বের করে দিলেন শুভানুধ্যায়ীদের। যখন মাঠে প্রবেশ করতে দিলেন তাহলে পরে কিসের ভয়ে কিসের নেশায় পুলিশ দিয়ে বের করে দিলেন।আপনারা যে স্বৈরাচারী করেন তা আবার প্রমানিত। কেননা আজকের এই আচরন কমলগঞ্জের মানুষের সম্মানে আঘাত হেনেছে। আমরা ভদ্র, নম্র না হলে মিছবাহ ভাইয়ের চোখের সামনেই সহকারী পরিচালক মাহমুদ কমলগঞ্জের দুজন খেলোয়ারকে মারতে উদ্ধত্ত হওযার সাহস দেখাতো না। কমলগঞ্জের ৩ লাখ মানুষ বিশ্বাস করে খেলাধূলা সম্প্রীতি আর ভালবাসা বাড়ায়। শক্রতা বাড়ায় না। মাননীয় জেলা প্রশাসক বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। আপনিও মাঠে ছিলেন। কেন কমলগঞ্জ দলের সাথে এমন অবিচার হবে? কার স্বার্থে কেন জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে?

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Check Also

দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে কমলগঞ্জ পৌরসভার মতবিনিময় ও নগদ অর্থ বিতরণ

কমলগঞ্জ বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট : আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎযাপনের লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ...