Home / মৌলভীবাজার / শনিবার মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ সম্মেলন উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদকে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় নেতা-কর্মীরা

শনিবার মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ সম্মেলন উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদকে পুনরায় সভাপতি হিসেবে দেখতে চায় নেতা-কর্মীরা

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
আগামী শনিবার ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন। এ সম্মেলন উপলক্ষে ৭টি উপজেলার নেতাকর্মীরা নানা বিশ্লেষন করছেন। জেলার তৃনমুল পর্যায়ে নেতাকর্মীরা বর্তমান সভাপতি সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এম.পিকে একজন সফল সভাপতি আখ্যায়িত করে পুনরায় তাকে সভাপতি হিসেবে মনোনীত করার জোর দাবী জানিয়েছেন। ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আব্দুস শহীদ সভাপতি নির্বাচিত হবার পর থেকে তার সুযোগ্য নেতৃত্বে জেলার সবকটি উপজেলায় আওয়ামী রাজনীতির ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটেছে বলে দাবী করেছেন কমলগঞ্জ.শ্রীমঙ্গল,কুলাউড়া,বড়লেখা উপজেলাসহ তৃনমুল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা। নেতাকর্মীদের দাবী, মোঃ আব্দুস শহীদ রাজনৈতিক ভাবে একজন দক্ষ নেতা। তার যোগ্য নেতৃত্বে প্রমান হয়েছে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের ঘাটির্ঁ। তৃনমুল নেতা-কর্মীরা কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি দাবী জানান।
জানা যায়, ২০০৬ সালে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ কাউন্সিলরদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন। এর পর থেকে সাংগঠনিক ভাবে মজবুত হতে থাকে জেলা আওয়ামীলীগ। আব্দুস শহীদ এর সাংগঠনিক দক্ষতা ও একাগ্রতায় ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার ৪ টি সংসদীয় আসনেই আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা বিজয়ী হন। তার বিচক্ষন নেতৃত্বে শান্তির জনপদ হিসেবে বাংলাদেশের মধ্যে মৌলভীবাজার জেলা সুখ্যাতি অর্জন করে। বর্তমান কমিটির আমলে বাংলাদেশের সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা দুই বার মৌলভীবাজার জেলায় আগমন করেন। ২০১২ সালে মৌলভীবাজারে উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত হয়। সাংগঠনিক ভাবে মজবুত হয় আওয়ামীলীগের ভিত। জেলার সবকটি উপজেলা এখন আওয়ামীলীগের শক্তিশালী ঘাটি হিসেবে পরিচিত।
তৃনমুল নেতা-কর্মীরা বলেন, উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দক্ষ সাংগঠনিক কর্মকান্ডে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার জেলার ৭ টি উপজেলার মধ্যে ৬ টিতে আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। উপজেলাগুলো হলো কমলগঞ্জ, কুলাউড়া, বড়লেখা, জুড়ী, রাজনগর ও শ্রীমঙ্গল। ২০১৫ সালের পৌরসভা নির্বাচনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে অত্যন্ত বিচক্ষনতার পরিচয় দিয়ে দলীয় প্রার্থী বাচাই করেন। যার ফলশ্র“তিতে মৌলভীবাজার জেলার ৪ টি পৌরসভা মৌলভীবাজার সদর, কমলগঞ্জ, কুলাউড়া ও বড়লেখায় আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও একই ভাবে আব্দুস শহীদ কোন রকম অনুরাগ বা বিরাগের বশিভূত না হয়ে স্বচ্ছতার সাথে প্রার্থী নির্বাচন করেন। যে কারনে জেলার ৬৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫৪ টি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন। উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ এর সঠিক নেতৃত্বে মৌলভীবাজার জেলা রাজনৈতিক ভাবে শান্তির জনপদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ জেলায় কোন রাজনৈতিক হানাহানি, মারামারি দেখা যায়নি। চোঁখে পড়েনি আভ্যন্তরীন কোন্দল। ক্ষমতাসীন দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেনি চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাসের। তৃনমুল নেতা কর্মীরা দাবী করে বলেন, আব্দুস শহীদ মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের যোগ্য সভাপতি হিসেবে সাংগঠনিক ভাবে দলকে শক্তিশালী করেছেন। বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের মধ্যে একটি মডেল। যে কারনে দলীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রয়োজেন প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা হিসেবে পুনরায় আব্দুস শহীদকে সভাপতি নির্বাচিত করা সময়ের দাবী। নেতা-কর্মীরা তৃনমুলের মতামতে কমিটি গঠনের জন্য জোর দাবী জানান।
এ ব্যাপারে উপাধ্যক্ষ মো. আব্দুস শহীদ বলেন, রাজনীতি তার নেশা। জনগনের কল্যানে আমৃত্যু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশারী করতে কাজ করে যাবেন। দলের প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে আবারও সভাপতি হিসেবে মূল্যায়ন করবে বলে বিশ্বাস।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Check Also

নারী আইনজীবী হত্যাকান্ডে ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

    কমলগঞ্জ বার্তা নিউজ ডেস্ক ॥ বড়লেখায় চাঞ্চল্যকর মহিলা আইনজীবী আবিদা সুলতানা হত্যা মামলার ...