Breaking News
Home / ইতিহাস ও ঐতিহ্য / কমলগঞ্জের বড়সাব মুহিবুর রহমান চেরাগ আলী’র জীবন ও কর্ম

কমলগঞ্জের বড়সাব মুহিবুর রহমান চেরাগ আলী’র জীবন ও কর্ম

খালিদসাইফুল্লাহ্

আজ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ইং মুহিবুর রহমান চেরাগ আলী’র ১৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি একাধারে ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ, দানশীলব্যক্তিত্ব,ডানপন্থী সংগঠক , শিক্ষানুরাগী, গ্রাম্য সালিশ বিচারক, ক্রীড়ানুরাগীসহ বহুগুণে গুনান্বিত এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।

মোঃ মুহিবুর রহমান চেরাগ আলী কমলগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত সোনাপুর গ্রামে ১৯৪৫ সালে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতা হলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত দানশীল ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শিল্পপতি আলহাজ্ব কেরামত আলী; যিনি ছিলেন এম.এল.এ, ও এম.এন.এ. এবং মাতা হলেন মোছাঃ জোলেখা খাতুন ; যিনি ছিলেন একজন সুগৃহিণী । তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে তিনি হলেন সবার বড় ।

মরহুম মুহিবুর রহমান চেরাগ আলী বাল্যকালে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করেন । অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাথমিক পর্যায় শেষ করে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং মেট্রিক পর্যন্ত পড়ালেখা করে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের ইতি টানেন । তিনি ছোটবেলা থেকেই ছিলেন বুদ্ধিমান, অদম্য সাহসী , স্বাধীনচেতা , প্রচারবিমুখ ,নিরঅহংকারী , মিশুক এবং সাধাসিধে প্রকৃতির একজন মানুষ । তাই ধনী-গরীব আপামর জনসাধারণ ভালোবেসে ও পরম শ্রদ্ধাভরে ‘বড়সাব’ বলে ডাকতো তাঁকে । সেই সুবাদে কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ বাজারে অবস্থিত তাঁদের পৈত্রিক বাড়ি ‘কেরামত হাউস’টি আজো ‘সাববাড়ি’ নামে পরিচিত ।

তিনি আলহাজ্ব কেরামত আলীর বড় ছেলে হওয়ার সুবাদে তাদের বিশাল সম্পত্তি দেখাশুনা করতেন । তিনি কেরামতনগর ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশন ( কেআইসি ) নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সফলভাবে পরিচালনা করতেন । আর ঐ
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পাট , চা ,ইট, বাঁশ,গাছ , টিনের সামগ্রী,প্লাস্টিকের সামগ্রী সহ অনেক ব্যবসা সামগ্রী দেশ-বিদেশে সরবরাহ করা হতো । তিনি ব্যবসাক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করার মাধ্যমে অল্প বয়সে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেন ।

তিনি সাংসারিক জীবনে রাজধানী ঢাকার প্রসিদ্ধ ভূইয়া পরিবারের সন্তান নূর-ই বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । তাঁদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে যথাক্রমে মরহুম আলহাজ্ব মোঃ আফসার সালেহ্ কেরামত নান্না, মোঃ নাজমুর রহমান শাহীন ও মোছাঃ নাজনিন রহমান ঝর্ণা ।
চমকপ্রদ তথ্য হল,তাঁর বিয়ের উকিলবাবা ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ।

তিনি একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন । ফিল্ড মার্শাল আইউব খান ক্ষমতা দখলের পর পঞ্চায়েত পদ্ধতি বাতিল করে ‘বিকেন্দ্রীকরণ নীতি’র মাধ্যমে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ভোটে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধি নির্বাচনের পদ্ধতি চালু করেন । মরহুম মুহিবুর রহমান আইউব খান গঠিত কনভেনশন মুসলিমলীগের সমর্থন নিয়ে ১৯৬০ সালে অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কমলগঞ্জ পাঁচ নং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ ( এমএনএ) নির্বাচনে উক্ত দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে এমএনএ নির্বাচিত হন । তখন তাঁর সাথে প্রতিদ্বন্দীতা করেন প্রাক্তন মূখ্যমন্ত্রী নুরুল আমীন সাহেবের মেয়ের জামাই ব্যারিষ্টার আহমেদুর রহমান । ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত এমপিএ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন গ্রহনের প্রস্তাব দেন তাঁকে । তিনি বিনয়ের সাথে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে পুনরায় মুসলিমলীগের মনোনয়ন নিয়ে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল এ প্রার্থী হন । যদিও কমলগঞ্জ উপজেলাতে বিজয়ী হন ; কিন্তু শ্রীমঙ্গল উপজেলাতে প্রতিপক্ষ শিবিরের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভোট কারচুপির জন্য পরাজিত হন । পরবর্তীতে ভোট কারচুপির বিষয়টি অত্যান্ত অনুশোচনার সাথে নিশ্চিত করেন উক্ত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তৎকালীন এক রাজনৈতিক নেতা; যিনি বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন । দেশ স্বাধীনের পর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গঠিত জাগো দল (বর্তমান বিএনপি) থেকে দুইবার মনোনয়ন নিয়ে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল এ সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হন । কিন্তু চা শ্রমিক ও হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চল হওয়ার কারনে কমলগঞ্জ উপজেলাতে জয়ী হলেও শ্রীমঙ্গল উপজেলাতে পরাজিত হন । তাছাড়া তাঁর প্রাক্তন মূখ্যপাত্র (শ্রীমঙ্গল উপজেলা) দেওয়ান সাহেব মুসলিম লীগের সমর্থন নিয়ে উক্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করার কারণে তাঁর ভোট ব্যাংকে দারুণ প্রভাব পড়ে এবং বিজয়ের পথ সংকোচিত হয় । উল্লেখ্য যে, স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল এ ডানঘরনার কোনো সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বিজয়ী হতে পারেননি ।স্বৈরশাসক এইচ এম এরশাদ ক্ষমতা দখলের পর জাতীয় পার্টি গঠন করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করেন । তৎকালীন রাষ্ট্রপতির বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি ।পরবর্তীতে কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে পরপর দুটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হন এবং দুটি প্রধান দলের একতরফা ভোট,পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ভোট কারচুপি ও প্রশাসনিক ষড়যন্ত্রের কারণে অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন । তবে কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সর্বপ্রথম নির্বাচনে নির্বাচিত চেয়ারম্যান দূর্নীতির দায়ে অল্প কিছুদিন পর বরখাস্ত হলে তিনি পরর্বতী নির্বাচনের পূর্বসময় পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বপালন করেন । ২০০১ সালে কমলগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর পৌরসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । উল্লেখ্য যে, তিনি কমলগঞ্জ পাঁচ নং ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সুদীর্ঘকাল (কয়েক যুগ) চেয়ারম্যান ছিলেন । অবাক করার বিষয় হল যে, পাঁচ নং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসী কখনও তাঁকে পরাজয়ের ছোঁয়া লাগতে দেয়নি। তাছাড়া তিনি কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সুদীর্ঘকাল চেয়ারম্যান থাকাকালীন কমলগঞ্জ ইউপির কোনো সাধারণ মানুষকে ইউনিয়ন টেক্স দিতে হয়নি। তিনি সরকারি ও ব্যক্তিগত দান-অনুদান দিয়ে ইউনিয়ন পরিচালনা করতেন। বিনা টেক্সে একটি বৃহৎ স্থানীয় সরকার পরিচালনা করা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। তাঁর দানশীলতার নির্দশন লোকমুখে উদাহরণ হওয়ার জন্যে ইতিহাসের পাতায় তা স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে যুগযুগ । দানবীর মরহুম মোঃ মুহিবুর রহমান চেরাগ আলী মানুষদের ভালবাসা ও মমত্ববোধের বহু স্বাক্ষর রেখেছেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-
*মরহুম মুহিবুর রহমানের ০.৬৬ একর ভূমির উপর কমলগঞ্জ সাবরেজিষ্ট্রি ভবন প্রতিষ্ঠিত হয় ।
*তার দানকৃত ২৬ শতক ভূমির উপর কমলগঞ্জ পৌরসভা ভবন প্রতিষ্ঠিত হয় ।
*তার দানকৃত ভূমির উপর কুমড়াকাপন
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
*তার দানকৃত ভূমির উপর ভানুগাছ দূর্গা
মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।*তার দানকৃত ভূমির উপর বর্তমান ৫ নং কমলগঞ্জ ইউনিয়ন কাউন্সিল কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা হয়।
তাছাড়া তিনি বহু স্কুল কলেজ,মাদ্রাসা ,মক্তব , মসজিদ,মন্দির ইত্যাদির পাশাপাশি গরীব-দুঃখী মেহনতি মানুষের নীরবে দান করেন। কোনো সস্তা নাম কুড়াঁনোর উদ্দেশ্যে নয়।বস্তুত মানুষের ভালবাসার প্রচন্ড টানে এই মহৎ কাজগুলো করেছেন। মোঃ মুহিবুর রহমান চেরাগ আলী ১৯৬২ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হওয়ার সময় তাঁর বয়স ছিল সতের বছর; যদিও মনোনয়নপত্র অনুযায়ী বয়স ছিল একুশ বছর । তৎকালীন পার্লামেন্টের সবচেয়ে কম বয়সী এমএনএ নির্বাচিত হওয়ার কারণে তাঁকে একনজর দেখার জন্য রাষ্ট্রপ্রধান আইউব খান রাওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত ‘রাষ্ট্রপতি ভবন’ এ আমন্ত্রণ জানিয়ে বিশেষ বিমান পাঠান শমসেরনগর বিমানবন্দরে,কমলগঞ্জ । এমনকি তাঁর সুবিশাল ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁকে বাঙালী ছেলে বলে সম্বোধন করতেন এবং তাঁর মূল্যবান পরামর্শ রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করতেন । যা পরবর্তীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আইন রূপে প্রকাশিত হতো । আরেকটি বিষয় হল যে, অবিভক্ত পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা হওয়ার অপরাধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যক্তিগত আক্রোশে তাঁকে গ্রেফতার করে একজন সেনাবাহিনীর মেজর । কিন্তু তাঁর পাহাড়সম জনপ্রিয়তার ভয়ে স্পর্শ করারও সাহস করতে পারেনি মেজর , তাই তাঁকে হবিগঞ্জ জেলে হস্তান্তর করে জনরোষের ভয়ে অনেকটা পালিয়ে যায় সে ।তারপর বাংলাদেশের ভেতর হত্যা করতে ব্যর্থ হয়ে সীমানা অতিক্রম করে ভারত নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু ততক্ষণে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ফলে পাকিস্তান সরকারের কড়া প্রতিবাদের মুখে পড়ে তাঁকে নিরাপত্তা দিতে বাধ্য হয় ভারতীয় মিত্রবাহিনী এবং একপর্যায়ে ভারত সরকার কর্তৃক দায়েরকৃত পুরাতন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেলে প্রেরণ করা হয় তাঁকে ।পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তিপান তিনি ।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মশিউর রহমান যাদু,প্রাক্তন স্পীকার হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী,প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজ ও নবাব আলী খান চুন্নুসহ অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বরা ছিলেন তাঁর ঘনিষ্ট বন্ধুদের তালিকায়।প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান,এইচ এম এরশাদ,ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ,কাজী জাফর আহমদ, এম সাইফুর রহমান,সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরী,সৈয়দ মহসীন আলী, দেওয়ান ফরিদ গাজী ,আব্দুস সামাদ আজাদ, এড.এবায়দুর রহমান,নাসিম উসমানসহ অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তিদের কাছে ছিলেন তিনি অতি সম্মানের পাত্র।চট্রগ্রামের সিংহপুরুষ সালাহ উদ্দীন কাদের চৌধুরীর মতো ব্যক্তিরাও তাঁর পা ছুঁয়ে শ্রদ্ধাভরে সালাম করতেন নির্দ্বিধায়।শেরে বাংলা ফজলুল হক,ফজলুল কাদের চৌধুরী, শেখ মুজিবুর রহমান,নবাব খাজা খয়ের উদ্দিন,প্রাক্তন গভর্নর মোনায়েম খান ও দেওয়ান বাসিতসহ অনেক ইতিহাসখ্যাত ব্যক্তিদের সাথে ছিল ঘনিষ্ট সুসম্পর্ক। তিনি প্রায় তিনমাস কোমা অবস্থায় শয্যাশায়ী থাকার পর ২০০২ সালের ২৮ ডিসেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।তাঁর মৃত্যুর পর হিন্দু,মুসলিম,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ দলমত নির্বিশেষে সকল নারী,পুরুষের কান্নায় আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হয়। মানুষজন রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। মিডিয়ার ভাষ্যমতে,কমলগঞ্জ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি মানুষ সমবেত হয় । তাছাড়া কথিত যে, তাঁর মৃত্যুর পর পাকিস্তান পার্লামেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে শোক প্রকাশ করা হয়। যদিও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ভৌগলিক অবস্থার জন্য,আবার অনেকক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অনিচ্ছার জন্য জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিকভাবে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হননি তিনি।কিন্তু তিনি মৌলভীবাজার জেলার বিশেষ করে কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলের মানুষের কাছে ছিলেন বটবৃক্ষের ছায়ার মতো।নিজের গড়া ও পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত বিশাল সম্পত্তি বিক্রি করে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করেছেন অকাতরে,আবার দান করেছেন অনেক অনেক ভূমি।আল্লাহ্ এই ক্ষণজন্মার সন্তানকে জান্নাত দান করুন আমীন।
লেখকঃখালিদ সাইফুল্লাহ
কবি ও লেখক
শিক্ষার্থী,আইনওবিচারবিভাগ

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Check Also

‘নিভৃতচারী সমাজসেবী মোঃ বজলুর রহমান’ ……….খালিদ সাইফুল্লাহ্ – কমলগঞ্জ বার্তা

✅মহান আল্লাহ তায়ালার বৈচিত্র্যময় সৃষ্টিজগতে সর্বোৎকৃষ্ট সৃষ্টি মানুষ । আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেনঃ আমি ...