Breaking News
Home / আন্তর্জাতিক / # ট্রান্স এশিয়ান রেল রুটের অন্তর্ভূক্ত আখাউড়া-সিলেট রেলপথ আধুনিকায়নের উদ্যোগ : নির্মিত হবে ডুয়েল গেজ রেল লাইন #

# ট্রান্স এশিয়ান রেল রুটের অন্তর্ভূক্ত আখাউড়া-সিলেট রেলপথ আধুনিকায়নের উদ্যোগ : নির্মিত হবে ডুয়েল গেজ রেল লাইন #


কমলগঞ্জ প্রতিনিধি :
অবশেষে শতবর্ষ পরে ট্রান্স এশিয়ান রেল রুটের অন্তর্ভূক্ত আখাউড়া-সিলেট রেলপথ আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। উপ-আঞ্চলিক ও আঞ্চলিক যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ব্যবসা বানিজ্যের সম্প্রসারণ ও যাত্রী বহনের জন্য ভবিষ্যৎ সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে এই রেল পথের মিটার গেজ রেলওয়ের পাশাপাশি ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এটা বাস্তবায়িত হলে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা দ্রুততর হওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-২০১৮ সালের রিভাইজড বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীতে অন্তর্ভূক্ত হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় ২২৫ কি: মি: রেলপথ ডুয়েল গেজে রূপান্তর করা হবে। এই রুটে থাকা ২৮২ টি সেতু বা কালভার্ট এবং ৩৪ টি রেল ষ্টেশনের উন্নয়ন করা হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের টার্গেট রাখা হয়েছে। চীন ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের মোট ব্যায় ধরা হয়েছে ১৫,৭০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন দিবে ১০২৬৭ কোটি টাকা এবং সরকারী কোষাগার থেকে দেয়া হভে ৫৪৩৮ কোটি টাকা। প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য গত সোমবার পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ই আর ডি) এশিয়া উইংয়ের যুগ্ন সচিব ড. একে এম মতিউর রহমান।
প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য যে, আখাউড়া- সিলেট সেকশনের আখাউড়া- কুলাউড়া- শাহবাজপুর রেলপথটি ট্রান্স এশিয়ান রেল রুটের অন্তর্ভূক্ত। এই রেল পথটি ডুয়েল গেজ নাহওয়ায় গেলে ট্রান্স এশিয়ান রেল নেটওয়ার্কের সুফল ভোগ করতে পারছে না বাংলাদেশ। এ লেলপথের সর্বোচ্চ গতিসীমা ৭০ কি:মি:। এর ফলে ঢাকা- সিলেট যাতায়াতে সময় লাগে ৭ ঘন্টা। আর চট্টগ্রাম যেতে সময় লাগে প্রায় ১০ ঘন্টা। তাই এ রেল পথটি ডাবল লাইন হলে ট্রেনের গতিসীমা হতো ১২০ কি: মি:। এতে ভ্রমনের সময় কমতো দুই থেকে তিন ঘন্টা। তাই আখাউড়া- সিলেট রেলপথটি ডাবল লাইনে রুপান্তর করার উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে দেড়বছর আগে বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর পরই মূলত এই প্রকল্পের গতি বাড়ে।
এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ার পর শুধু যোগাযোগের ক্ষেত্রে নয়, এর মাধ্যমে শিল্পায়নে পিছিয়ে পড়া সিলেটে ঘটতে পারে শিল্পবিপ্লব। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশের সাথে পণ্য পরিবহনের পথ সুগম হবে। একই সাথে বানিজ্যও বাড়বে। এমনটা প্রত্যাশা ব্যবসায়ী ও সিলেটবাসীর।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Check Also

বড়লেখায় টিলা কাটায় ২ ব্যক্তিকে জরিমানা : অবৈধ বালু জব্দ-কমলগঞ্জ বার্তা

কমলগঞ্জ বার্তা রিপোর্ট ॥  বড়লেখা উপজেলা প্রশাসন অবৈধভাবে টিলা কাটায় দুই ব্যক্তিকে ১৩ হাজার টাকা ...